বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৮ জুন ২০১৫

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পের ব্যাপক সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর ৬২ নং অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। চেয়ারম্যান ছিলেন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোই এ সংস্থার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বোর্ড এ শিল্পের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে দেশে রেশম শিল্পের ব্যাপক পরিচিতি ও অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। বর্তমানে দেশে এ শিল্পের সংগে জড়িত লোকসংখ্যা প্রায় ৬.৫০ লক্ষ। বোর্ড সৃষ্টির পূর্বে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ৩৫ হাজার। বিজড়িত জনবলের শতকরা প্রায় ৮০ ভাগই গ্রামীণ দুঃস্থ মহিলা।

 

          ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর রেশম চাষ সর্ম্পকৃত কার্যক্রম শিল্প মন্ত্রণালয় এর নিয়ন্ত্রনে পরিচালিত হতো। ১৯৬১-৬২ সাল থেকে ডিসেম্বর ১৯৭৭ পর্যন্ত রেশম চাষ কার্যক্রম ইপসিক  (বর্তমানে বিসিক) এর নিয়ন্ত্রনে ছিল। ১৯৭৭ সালের ২৪শে ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির ৬২ নং অধ্যাদেশ বলে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়। ফেব্রুয়ারী/১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড কার্যক্রম শুরু করে।

 

দেশ ব্যাপী রেশম চাষ ব্যাপক সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ০৭/০৩/২০১৩ ইং তারিখে ১৩ নং আইনবলে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়। নবগঠিত রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, মাননীয় মন্ত্রী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। সচিব, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পরিচালনা পর্ষদের ভাইচ চেয়ারম্যান। ইহা ছাড়াও জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকবৃন্দ এবং রেশম চাষ ও শিল্পের সহিত সম্পৃক্ত প্রতিনিধি সমন্বয়ে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ গঠণ করা হয়েছে। মহাপরিচালক বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সচিব। বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মোট ৪টি বিভাগ রয়েছে; যথাঃ- (১) প্রশাসন ও সংস্থাপন বিভাগ, (২) অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগ, (৩) সম্প্রসারণ ও প্রেষণা বিভাগ এবং (৪) উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বিভাগ। এ ছাড়াও গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটসহ এমআইএস সেল, নিরীক্ষা শাখা, জনসংযোগ শাখা সরাসরি মহাপরিচালকের অধীনে ন্যাস্ত রয়েছে। বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের নুতন অর্গানোগ্রাম প্রণয়নের বিষয়টি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


Share with :
Facebook Facebook