বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জনাব এ. এইচ. এম খায়রুজ্জামান(লিটন) এর রাজশাহী রেশম কারখানা এবং রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট পরিদর্শন


প্রকাশন তারিখ : 2019-02-13

রাজশাহী/১৩-০২-২০১৯

       আজ সকাল ১১.০০ ঘটিকায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জনাব . এইচ. এম খায়রুজ্জামান(লিটন) রাজশাহী রেশম কারখানা এবং বাংলাদেশ রেশম গবেষণা প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট পরিদর্শন করেন পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন

 

রাজশাহী রেশম কারখানা পরিদর্শনকালে মেয়র মহোদয় রেশম চাষীদের উৎপাদিত গুটি থেকে খাটিঁ রেশম কাপড় উৎপাদনের বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে ঘুরে দেখেন। তিনি অত্যন্ত ধৈয্য ধরে কারাখানার রিলিং, থ্রোইং, উইভিং এবং প্রিন্টিং উইনিট এর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি বিভিন্ন ধরনের খাঁটি রেশম কাপড় যেমন গরদ কাপড়, কোরা বলাকা, স্পান সিল্ক থান কাপড়(মটকা), কোড়া থান কাপড় দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এছাড়া তিনি রাজশাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের গবেষণার বিভিন্ন পর্যায় সম্পর্কে অবহিত হন।  পরিদর্শনকালে রাজশাহী জেলা পরিষদের মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আলী সরকার, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক জনাব মু: আবদুল হাকিম, রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জনাব মোহা: মুনসুর আলী উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে মেয়র মহোদয় বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের সভাকক্ষে একটি মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র মহোদয় বলেন ,রেশমের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। তবে সকলকে এক সাথে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের উন্নয়ন করতে হবে। রেশম শিল্পের মাধ্যমে তা করা সম্ভব। তিনি ভোলাহাট, শিবগঞ্জসহ পার্বত্য এলাকায় রেশম চাষ দেখেছেন এবং সেখানে রেশম চাষের সম্ভাবনার কথা বলেন। তিনি বলেন, রোমন সাম্রাজ্য থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত রেশমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন একত্রে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয়েছে। তাই রেশম শিল্পের উন্নয়নে কাজ করা সহজ হবে। রেশম শিল্পের সাথে জড়িত পূর্বের চাষীদের সম্পৃক্ত করতে হবে। মশলা পণ্যের ন্যায় রেশম শিল্পেও ২% সরল সুদে রেশম চাষীদের লোন দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। উদাহরণস্বরুপ তিনি ভুট্টা চাষে লোন দেওয়ায় পরবর্তীতে ভুট্টায় বাম্পার ফলনের বিষয়টি সভায় উল্লেখ করেন। তিনি অন্যান্য দেশের ন্যায় রাজশাহীর রেশম বস্ত্রও বিদেশে রপ্তানী করার উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি সভায় উল্লেখ করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, রেশম শিল্পের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। তিনি আগামী ৫ বছরের মধ্যে রেশম শিল্পের হারানো গৌরব ফিরেয়ে আনার বিষয়ে জোড় তাগিদ দেন।

সভাপতির বক্তব্যে রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমাদের গর্বের এবং আত্মসম্মানের প্রতীক হলো এই রেশম কারখানা। তিনি রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য সকল পেশাজীবীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

উক্ত সময়ে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য(অর্থ ও পরিকল্পনা) সৈয়দা জেবিননিছা সুলতানা, সদস্য(সম্প্রসারণ ও প্রেষনা) এম.এ মান্নান, সদস্য(উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ) মোছা: নাছিমা খাতুন, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহা: মুনসুর আলী, সিবিএ সভাপতি মো: আবু সেলিমসহ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, শ্রমিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


Share with :

Facebook Facebook