বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২২nd এপ্রিল ২০১৫

বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডে ''একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সাথে রেশম চাষ সম্পৃক্তকরন” শীর্ষক কর্মশালা


প্রকাশন তারিখ : 2015-04-22

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

  “একটি  বাড়ি একটি খামার  প্রকল্পের  সাথে রেশম চাষ সম্পৃক্তকরন” শীর্ষক  কর্মশালা 

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী পদক্ষেপ একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সাথে রেশম চাষ সম্পৃক্তকরন কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষে এ সংক্রান্ত একটি কর্মশালা বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে আজ সকাল ৯.৩০  ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত কর্মশালায় প্রধান প্রধান যে সকল সুপারিশ করা হয় তা হল: তুঁতচাষে যারা আগ্রহী তাদেরকে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সদস্য করা; সদস্যসহ এ প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা; স্থানীয় প্রশাসনের সাথে এ বিষয়ে মতবিনিময়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ৬০জন সদস্যের বাইরে প্রয়োজনে নতুন চাষী সম্পৃক্তকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ;মাঠ পর্যায়ে সকলের সহযোগিতা।

 রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলার মোট ১৩টি উপজেলায় দায়িত্বরত একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী ও ফিল্ড সুপারভাইজারদের সাথে রেশম বোর্ডের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সমন্বয়ে উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার, রাজশাহী জনাব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হলো একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্প। মূলত রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের জন্য এ প্রকল্প প্রথমে ১৯৯৯ সালে হাতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ব্যাপক পরিসরে ২০১০ সাল থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়। তিনি বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ দারিদ্রমুক্ত হবে, তৃনমূল পর্যায়ে অর্থের বিশাল একটি ফান্ড প্রস্তুত হবে। তিনি আরোও বলেন, একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের সাথে রেশম চাষকে সম্পৃক্তকরণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আরও একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ । এর মাধ্যমে রেশম চাষ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হওয়ার দ্বার উম্মোচিত হবে। তিনি বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে রেশম চাষের সাথে সম্পৃক্ত সকলের উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হবে। তবে এক্ষেত্রে এ প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বরত সকলের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

            কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক আনিস-উল-হক ভূইয়া বলেন, রেশমের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্তীর এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। প্রান্তিক জনগোষ্ঠির বিশেষত মহিলা জনগোষ্ঠী নিয়ে কাজ করার এবং তাদের অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে। অন্যদিকে রেশম চাষকে এ প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত করে গ্রামীণ রেশমচাষীদের আত্মসামাজিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।

            একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, চারঘাট রাশেল সাবরিন এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য, ভিশন, মিশন এবং এর সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে কর্মশালায় বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং রেশম চাষকে এ প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত করে রেশম চাষের উত্তরোত্তর উন্নয়ন করা সম্ভব বলে জানান। উক্ত কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন সদস্য(সম্প্রসারণ ও প্রেষণা), জনাব মোঃ সেরাজুল ইসলাম, সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন বেগম মমতাজ মহল, গবেষণা কর্মকর্তা ।

 

কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সদস্য(উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ) জোবেদা খাতুন, সদস্য(অর্থ ও পরিকল্পনা) জ্যোতি লাল কুরী, রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এর পরিচালক মোঃ জামাল উদ্দিন শাহ, সচিব মোঃ জায়েদুল ইসলাম, সি.বি.এ সভাপতি আবু সেলিম সহ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সকল স্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ এবং রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলার মোট ১৩টি উপজেলায় দায়িত্বরত একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী ও ফিল্ড সুপারভাইজারগণ।

 


Share with :

Facebook Facebook